sofolder sopno kota
Tuesday, June 27, 2023
Tuesday, February 4, 2020
নির্বাচনের বাতিল পোস্টারে এতিম শিশুদের খাতা তৈরি
সদ্য সমাপ্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পোস্টার সরানো নিয়ে যখন চলছে বিস্তর আলোচনা, এমন সময় সেই পোস্টার নিয়ে আশার আলো দেখাচ্ছে একটি সংগঠন। ফেলে দেওয়া সেই পোস্টার দিয়ে কয়েক হাজার এতিম শিশুর জন্যে লেখার খাতা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ‘বিদ্যানন্দ’ নামের একটি শিক্ষাসহায়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
জানা যায়, ঢাকা সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে পোস্টার সংগ্রহ করছে বিদ্যানন্দ সংগঠনের কর্মীরা। সেই জঞ্জাল থেকে শিক্ষার আলো ছড়ানোর এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কমিশনার।
সংগঠনটির ঢাকা শাখার স্বেচ্ছাসেবক হাবিবুর রহমান সম্রাট বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টার সংগ্রহের কাজ আমরা শুরু করি ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। প্রথমে রাজধানীর মিরপুর থেকে এই সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আমাদের কাছে ফোন করে পোস্টার নিয়ে আসতে বলা হয়। ঢাকার একজন নবনির্বাচিত মেয়রও আমাদের ডেকে নিয়ে অনেক অব্যবহৃত পোস্টার দিয়েছেন।
হাবিবুর রহমান সম্রাট আরো বলেন, এক-দুদিনে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার পোস্টার সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার পোস্টার পাওয়া গেছে, যেগুলো কোথাও ব্যবহৃত হয়নি। আরো কয়েকদিন চলবে এই পোস্টার সংগ্রহ অভিযান। ১ লাখ পোস্টারে প্রায় ৪০ হাজার খাতা হচ্ছে। আমরা চাচ্ছি, প্রায় ১ লাখ খাতা তৈরি করতে।
ওই স্বেচ্ছাসেবক বলেন, এবারের নির্বাচনে মূলত তিন ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা সব পোস্টারই সংগ্রহ করছি। একপাশে লেখা পোস্টার দিয়ে খাতা তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া পলিধিন লাগানো পোস্টারে ব্যাগ তৈরি করার চেষ্টা চলছে এবং দুই পাতায় প্রিন্ট করা পোস্টারগুলো দিয়ে ঠোঙা তৈরি করা হচ্ছে। এই ঠোঙা বিশেষ করে আগামী রমজানে ব্যবহার করা হবে।
স্বেচ্ছাসেবক সম্রাট আরো বলেন, পোস্টার পুড়িয়ে পরিবেশ বিপর্যয় না করে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করে নিয়ে আসব। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাসাইনমেন্ট পেপারে যদি এক পৃষ্ঠা অব্যবহৃত থাকে, তারা সেসব আমাদের কাছে তুলে দিতো, তবে আমরা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে পারতাম।
জানা যায়, অনুদানের টাকায় দেশে মোট ছয়টি এতিমখানা পরিচালনা করছে বিদ্যানন্দ। রাজবাড়ী, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, রুমা, আলীকদম, কক্সবাজারের রামু ও খাগড়াছড়িতে রয়েছে এই ছয়টি এতিমখানা। এ ছাড়া ঢাকায় সংগঠনটির প্রধান শাখা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুরে এর শাখা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটিতে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এরপর নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টার সরানোর দাবি ওঠে। উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, তিন দিনের মধ্যে ডিএনসিসি এলাকা পোস্টার মুক্ত হবে। আমাদের নিজেদের কর্মী মাঠে নামিয়ে দেবো। এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারগুলো রিসাইকেলিং করা হবে। যারা পোড়াচ্ছেন; তাদের প্রতি অনুরোধ- কেউ পোড়াবেন না, আমরা এগুলো রিসাইকেলিং করবো।
Thursday, December 12, 2019
এসএ গেমসে প্রথম সোনা এনে দিলেন দিপু চাকমা
দক্ষিণ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) এবারের আসরে তায়কোয়ান্দো থেকে প্রথম সোনা পেয়েছে বাংলাদেশ। নিজের ইভেন্ট পুমসে সেরা হয়েছেন দিপু চাকমা।
কাঠমান্ডুর সাদদোবাদোর ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ২ ডিসেম্বর ২০১৯ ছেলেদের ২৯ (প্লাস) বয়স ক্যাটাগরিতে ৮ দশমিক ২৮ ও ৭ দশমিক ৯৬ স্কোর গড়ে সেরা হন দিপু। প্রথমবারের মতো এসএ গেমস খেলতে এসেই বাজিমাত করেন তিনি।
এই ইভেন্টে দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ৫টি সোনা ও একটি রুপা জয়ের স্বাদ পেলেও আন্তর্জাতিক ইভেন্টে এটাই দিপুর প্রথম সেরার সাফল্য। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসে ভাসছেন রাঙামাটি থেকে উঠে আসা এই অ্যাথলেট।
দিপু বলেন, দেশের বাইরে খেলতে এসেছি, দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। দেশকে কিছু দিতে পেরে গর্বিত। এই আনন্দ আমি আসলে এখনও বুঝতে পারছি না। আমার হাত ধরে যদি প্রথম সোনার পদক এসে থাকে, তাহলে এই আনন্দ আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
তিনি আরো বলেন, এর আগে কোনো অফিসিয়াল গেমসে কখনও সোনার পদক পাইনি। অন্যান্য দেশে খেলতে গিয়ে সোনার পদক পেয়েছি। এখানে জিতে অনেক গর্ববোধ করছি। আমি আসলে এখনও ঘোরের মধ্যে আছি। আসলে আমরা গোল্ড মেডেলের লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছি। প্রস্তুতিও সেরকম ছিল।
২০০১ সালে তায়কোয়ান্দো খেলা শুরু করলেও ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত হন দিপু। নেপালে আসার এক মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ মিন হাক সের অধীনে কাজ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করা এই অ্যাথলেট।
এর আগে কারাতের কাতা ইভেন্ট থেকে দেশকে প্রথম পদক এনে দেন হুমায়রা আক্তার অন্তরা। পরে ছেলেদের ইনডিভিজ্যুয়াল কাতায় ব্রোঞ্জ জেতেন হাসান খান সান। মেয়েদের দলীয় কাতা থেকেও ব্রোঞ্জ পেয়েছে বাংলাদেশ।
Monday, March 18, 2013
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে
গত
শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় দার্শনিক এবং
মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস
খুব সুন্দরভাবে বলেছেন,
আমার প্রজন্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো,
দৃষ্টিভঙ্গি বদলে একজন
মানুষ পারে তার
জীবনকে বদলে ফেলতে। এ
কথার সত্যতা সম্বন্ধে এখন
বিজ্ঞানীমহলেও
মিলছে সমর্থন। নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন,
মানুষের মস্তিষ্কের রয়েছে
যেকোনো চিন্তাকে বাস্তবায়িত করার
এক অসাধারণ ক্ষমতা। মন
ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে
দশকের পর দশকব্যাপী গবেষণার ওপর
ভিত্তি করে গড়ে
উঠেছে সাইকোনিউরো-ইমিউনলজি নামে
বিজ্ঞানের নতুন শাখা
।
এ
বিষয়ে ডা. অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ডা.
জন মটিল, ডা.
ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও
ডা. ই রয়
জন দীর্ঘ গবেষণার পর
বলেছেন, একজন প্রোগ্রামার যেভাবে
কম্পিউটারকে পরিচালিত করে,
তেমনি মন মস্তিষ্ককে পরিচালিত করে।
মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার আর
মন হচ্ছে সফটওয়ার। নতুন
তথ্য ও নতুন
বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন
ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে।
নতুন সিন্যাপসের মাধমে
তৈরি হয় সংযোগের নতুন
রাস্তা। বদলে যায়
মস্তিষ্কের কর্মপ্রবাহের প্যাটার্ন। মস্তিষ্ক তখন
নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে
নতুন বাস্তবতা উপহার
দেয়। নতুন বাস্তবতা ভালো
হবে না খারাপ
হবে, কল্যাণকর হবে
না ক্ষতিকর হবে
তা নির্ভর করে
মস্তিষ্কে দেয়া তথ্য
বা প্রোগ্রাম এর
ভালো-মন্দের উপর।
কল্যাণকর তথ্য ও
বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি
করে আর ক্ষতিকর তথ্য
বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা উপহার
দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা
যায়, জীবনের নতুন
বাস্তবতার চাবিকাঠি হচেছ
দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত।
বিজ্ঞানীরা বলেন
দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের।
১) প্রো-অ্যাকটিভ। ২) রি-অ্যাকটিভ।
জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে জানতে হবে রিএকটিভ নয়, প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে। একজন প্রোএকটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩ টি :
তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন। তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।
জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে জানতে হবে রিএকটিভ নয়, প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে। একজন প্রোএকটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩ টি :
তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন। তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।
নিচের গল্পটি পড়ুন:
বাবা,ছেলে ও গাধা
বাবা
ও ছেলে বিশেষ
প্রয়োজনে বাড়ির পোষা
গাধাটিকে বিক্রি করার
জন্যে হাটের পথে
যাত্রা শুরু করল।
বাবা,ছেলে ও
গাধা তিনজনই হেঁটে
যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর
তাদেরকে দেখে একজন
বললৈা দুটো কি
বোকা। গাধা থাকতে
হেঁটে যচ্ছে। একজন
তো গাধার পিঠে
উঠে আরাম করে
যেতে পারে। বাবা
ছেলে গাধার পিঠে
উঠিয়ে দিলেন। ছেলে
গাধার পিঠে আর
বাবা হেঁটে চলছেন।
কিছুদূর যাওয়ার পর
আরেকজন বলল,কী
বেয়াদব ছেলে। নিজে
গাধার পিঠে আরাম
করে যাচ্ছে আর
বুড়ো বাপকে হাঁটিয়ে নিয়ে
যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার
পর বাবা ও
ছেলে স্থান পরিবর্তন করলো।
বাবা গাধার পিঠে
আর ছেলে হেঁটে।। আরও
কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার
পর আরেক ব্যাক্তি মন্তব্য করল,কী নিষ্ঠুর পিতা।
নিজে গাধার পিঠে
আরাম করছে আর
মাসুম বাচ্চাটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে
যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার
পর বাবা ও
ছেলে দু’জনই
গাধার পিঠে উঠল।
গাধা চলতে শুরু
করল। কিছুদূর অগ্রসর
হওয়ার পর একজন
পশুপ্রেমিকের নজরে পড়ল
তারা। পশুপ্রেমিক তাদের
দেখে আক্ষেপ করে
বলতে শুরু করল,কী অত্যাচার! কী
অবিচার! একটি গাধা
তার উপর দুটি
লোক!
বাবা
ও ছেলে পড়ল
সমস্যায়। কী মুশকিল!
গাধার সাথে হেঁটে
গেলে দোষ। ছেলে
উঠলে দোষ! বাবা
উঠলে দোষ! দু’জন উঠলে
দোষ! এখন কি
করা যায়?বাবা
ছেলে দুজন মিলে
নতুন এক বুদ্ধি
বের করল। বাঁশ
ও রশি জোগাড়
করল। গাধার চার
পা ভালো করে
বাঁধল। তারপর পায়ের
ফাঁক দিয়ে বাঁশ
ঢুকিয়ে দিল। বাবা
সামনে আর ছেলে
পিছনে বাঁশ কাঁধে
নিয়ে হাঁটতে শুরু
করল। গাধা রইল
ঝুলে। গাধাকে কাঁধে
নিয়ে পুল পার
হওয়ার সময় গাধা
ভয় পেয়ে চিৎকার করে
নড়ে উঠল। বাব,ছেলে ও
গাধা পড়ে গেল
খালে। গাধার মেরুদণ্ড ভাঙ্গল। বাবা
ও ছেলের ভাঙ্গল
পা। গাধা আর
বেচা হলো না।
বাবা ও ছেলে
আহত অবস্থায় ফিরে
এল ঘরে।
এই বাবা-ছেলে হলেন রি-অ্যাকটিভ। রি-অ্যাকটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। গল্পের এ বাবা-ছেলের মতোই রি-অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে।
এই বাবা-ছেলে হলেন রি-অ্যাকটিভ। রি-অ্যাকটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। গল্পের এ বাবা-ছেলের মতোই রি-অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে।
প্রো-অ্যাকটিভ অর্থ
হচ্ছে যে কোন
পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা
আবেগপ্রবণ না হয়ে
ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করে
সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ।
প্রো-অ্যাকটিভ অর্থ
হচ্ছে অন্যের কাজের
প্রতিক্রিয়া হিসেবে কোন
কাজ বা আচরণ
না করা। সর্বাবস্থায় নিজের
লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ
ও কর্মপন্থা অবলম্বন করা।
প্রো-অ্যাকটিভ অর্থ
হচ্ছে কি কি
নেই তা নিয়ে
হা-হুতাশ না
করে যা আছে
তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ
শুরু করা। প্রো-অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময়
সাফল্য ও বিজয়
ছিনিয়ে আনে।
প্রো-অ্যাকটিভ মানুষই অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে। এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন। নবীজী (স.)-র জীবন দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন। ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।
প্রো-অ্যাকটিভ মানুষই অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে। এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন। নবীজী (স.)-র জীবন দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন। ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।
এক
বৃদ্ধা প্রতিদিন নবীজী
(সা.)-র পথে
কাঁটা বিছিয়ে রাখত।
উদ্দেশ্য নবীজীকে কষ্ট
দেয়া। নবীজী প্রতিদিন কাঁটা
সরিয়ে পথ চলতেন।
যাতে অন্যের পায়ে
কাঁটা না বেঁধে।
একদিন পথে কাঁটা
নেই। দ্বিতীয় দিনও
পথে কাঁটা নেই।
নবীজী ভাবলেন, একদিন
হয়তো ভুল করে
বৃদ্ধা কাঁটা বিছায়
নি। দুই দিন
তো ভুল হতে
পারে না। নিশ্চয় বৃদ্ধা
অসুস্থ। তিনি খোঁজ
নিলেন। বৃদ্ধা ঠিকই
গুরুতর অসুস্থ। আমরা
হলে হয়তো বলতাম,
‘বেটি বুড়ি আমার
পথে কাঁটা বিছিয়েছিস! আল্লাহ
তোকে উপযুক্ত শাস্তি
দিয়েছে।’ কিন্তু নবীজী
বৃদ্ধার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ
করলেন। তার চিকিৎসা ও
সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন।
বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে
উঠলেন।
সুস্থ
হওয়ার পর বৃদ্ধার মনে
প্রশ্ন জাগল, যাদের
কথায় নবীর পথে
কাঁটা বিছিয়েছি তারা
তো কেউ আমাকে
দেখতে আসে নি।
বরং যাকে কষ্ট
দেয়ার জন্যে কাঁটা
বিছিয়েছি তিনিই আমার
সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন।
মানুষ হিসেবে নবীজীই
ভাল মানুষ। বৃদ্ধা
নবীজীর ধর্ম গ্রহণ
করলেন। নবীজী প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন
বলেই বৃদ্ধাকে প্রভাবিত করতে
পেরেছিলেন। বৃদ্ধা যা-ই করুক
না কেন, বৃদ্ধার আচরণ
দ্বারা নবীজী প্রভাবিত হন
নি। নবীজী বৃদ্ধার সাথে
সেই আচরণই করেছেন,
যা তিনি সঙ্গত
মনে করেছেন। সে
কারণেই বিরুদ্ধাচরণকারী বৃদ্ধা
নবী অনুরাগীতে রূপান্তরিত হলো।
তারা
কি কি নেই
তা নিয়ে হা
হুতাশ না করে
যা আছে তা
নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ
করেন।
এক
ছিলো বুড়ি। তার
দুটিই মেয়ে। বড়
মেয়ের জামাই একজন
ছাতা বিক্রেতা। আর
ছোট মেয়ের জামাই
সেমাই বানিয়ে বিক্রি
করে। এই বুড়িকে কেউ
কখনো হাসতে দেখেনি। সারাক্ষণই সে
শুধু কাঁদতো। যখন
রোদেও দিন তখন
বড় মেয়ের কথা
মনে করে। আর
বৃষ্টির দিনে ছোট
মেয়ের কথা মনে
করে। কারণ রোদ
হলে বড় মেয়ের
জামাইয়ের ছাতার বিক্রি
তেমন ভালো হয়
না। আর গ্রীষ্ম ফুরিয়ে বৃষ্টির দিন
যখন আসে তখন
আবার ছোট মেয়ের
জামাইয়ের ব্যবসায় মন্দা
যায়। দুই মেয়ের
কথা ভেবে রোদ
বা বর্ষা কোনোসময়ই তার
কোনো সুখ ছিলো
না।
একদিন
এক সাধুর সাথে
তার দেখা হলো।
সাধু যখন জানতে
চাইলেন সে কেন
এভাবে সবসময় কাঁদে।
সে ঘটনা বললো।
সাধু বললেন, এখন
থেকে তুমি তোমার
চিন্তাটাই বদলে ফেলো।
রোদেও দিন তুমি
তোমার বড় মেয়ের
কথা ভাববে না।
ভাববে ছোট মেয়ের
কথা। কত সুন্দর
করে সে এই
চমৎকার রোদে
সেমাই শুকোচ্ছে। আর
গ্রীষ্ম শেষে যখান
বর্ষা আসবে, ভাববে
বড় মেয়ের কথা।
যে এখন দেদারসে ছাতা
বিক্রি করছে। তখন
ছোটমেয়ের কথা মনে
করার দরকার নেই।
বুড়ি
তাই করলো। সমাধানও হয়ে
গেলো তাড়াতাড়ি। এখন
আর তাকে কাঁদতে
হয় না। সাময়িক ব্যর্থতায় তারা
ভেঙে পড়েন না
২১
বছর বয়সে তিনি
ব্যবসায়ে লস করেন।
২২ বছর বয়সে
তিনি রাজনীতিতে পরাজিত
হন। ২৩ বছর
বয়সে আবারও ব্যবসায়ে লস
করেন। ২৬ বছর
বয়সে হারান প্রিয়তমা স্ত্রীকে ।
২৭ বছর বয়সে
তার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়।
৩৪ বছর বয়সে
কংগ্রেস নির্বাচনে হেরে
যান। ৪৫ বছর
বয়সে সিনেট নির্বাচনে হেরে
যান। ৩৭ বছর
বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার
সুযোগ হাতছাড়া হলো।
৪৯ বছর বয়সে
আবারও সিনেট নির্বাচনে পরাজিত
হন। এবং ৫২
বছর বয়সে তিনি
হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।
তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।
সফল মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিক্থলতা নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন না। বাধাটাকে জয় করেন।
আসলে কোনো পরাজয়ই পরাজয় নয় যদি তা মানসিকভাবে আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রোএকটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।
তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।
সফল মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিক্থলতা নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন না। বাধাটাকে জয় করেন।
আসলে কোনো পরাজয়ই পরাজয় নয় যদি তা মানসিকভাবে আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রোএকটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।
সুতরাং
আপনি যেখানে আছেন
সেখান থেকেই শুরু
করুন। যা আছে
তা নিয়েই শুরু
করুন। সাময়িক ব্যর্থতায় মুষড়ে
পড়বেন না। নেতিবাচক লোকদের
কথায় প্রভাবিত হবেন
না। আপনি জয়ী
হবেনই। source: www.quantummethod.org.bd
Subscribe to:
Posts (Atom)

